রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৩

মজার একটি সফ্‌টওয়্যার X Ray Scanner ডাউনলোড করুন আপনার মোবাইলের জন্য।

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। আজকে যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি তা হল মোবাইল এক্স রে! শুনেই চমকে গেলেনতো??? অনেকে অবশ্য হয়ত অনেক আগেই এই সফ্‌টওয়্যার ব্যবহার করে মজা করেছেন, তবে এখনো যারা এটা ব্যবহার করেননি তাদের জন্যই এ টিউন। যাই হোক। ধরুন খুব বোর হয়ে আছেন ত মজা করার কোন সুযোগ খুজছিলেন তবে এই এ্যাপলিকেসনটি চালু করুন আর আপনার বন্ধু কে বা যাকে খুশি তাকে বোকা বানান। তাদের বলতে পারেন যে আমার মোবাইলে এক্স-রে করা যায়। বিশ্বাস না করলে হাত আমার মোবাইলের ক্যামেরার সামনে এনেই দেখ, তোর হাতের এক্স-রে হয়ে যাবে। আর আপনার বন্ধু এটি না জেনে থাকলে অবাক না হয়ে যাবে কোথায়। তাহলে ডাউনলোড করেই দেখুন কেমন মজা!









ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
অথবা এখানে ক্লিক করুন।
আপনাদের সুবিধার্থে এই এ্যাপ্লিকেশনটি মিডিয়া ফায়ারে আপলোড করলাম। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। (৪৪২.৩৯ কেবি. JAR file)
ভাল লাগলে অবশ্যই মন্তব্য করবেন। আজ এ পর্যন্তই। আল্লাহ হাফেজ। সবাইকে শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ।



 RIYAD

 01911-133212.....?


















শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২

The Story of an Emporar (Humaun Ahmed) part-2

প্রাইমারি স্কুল পাশের পর এই হুমায়ূন বদলে যান। ষষ্ট শ্রেণীতে ওঠার পর থেকে স্কুলের প্রতি তাঁর আগ্রহ বাড়তে থাকে। আগ্রহটা এমনি ছিল যে এসএসসি পরীক্ষার ফল বের হওয়ার পর দেখা গেল, তিনি সম্মিলিত মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছেন। ১৯৬৫ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে তিনি এসএসসি পাস করেন। ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৬৭ সালে তিনি এইচএসসি পাস করেন। এইচএসসি পরীক্ষাতেও তিনি মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন। এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে। ১৯৭২ সালে রসায়ন বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতকোত্তর পাশ করে তিনি একই বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে অধ্যাপক যোসেফ এডওয়ার্ড গ্লাসের তত্ত্বাবধানে পলিমার কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি নেন। লেখালেখি ও চলচ্চিত্রে নিয়মিত সময় দেবার জন্য পরবর্তীতে অধ্যাপনা পেশা ছেড়ে দেন জনপ্রিয় শিক্ষক হুমায়ূন আহমেদ।
গত কয়েক দশক ধরেই বাংলাদেশের লেখালেখির ভুবনে হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাস দিয়ে সাহিত্যাঙ্গনে তাঁর আত্মপ্রকাশ। ‘নন্দিত নরকে’ যখন প্রকাশ হয় তখনই বোঝা গিয়েছিলো কথা সাহিত্যের কঠিন ভুবনে তিনি হারিয়ে যেতে আসেননি। তাঁর এই অমিত সম্ভাবনা তখনই টের পেয়ে প্রখ্যাত লেখক-সমালোচক আহমদ শরীফ এক গদ্যের মাধ্যমে হুমায়ূন আহমেদকে অভিনন্দিত করেছিলেন। আহমদ শরীফের প্রশংসা যে অপাত্রে ছিল না তা তো আজ সর্বজন বিদিত।
মধ্যবিত্ত জীবনের কথকতা সহজ সরল গদ্যে তুলে ধরে তিনি তাঁর পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছেন। শুধু মধ্যবিত্ত জীবনের কথকতা বয়ানেই সীমিত নয় তাঁর কৃতিত্ব, বেশ কিছু সার্থক সায়েন্স ফিকশন-এর লেখকও তিনি। জনপ্রিয় চরিত্র মিসির আলী ও হিমুর স্রষ্টা তিনি।
হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যের ভিতটা গড়ে ওঠে পারিবারিক বলয় থেকেই। তাঁর বাবা ছিলেন সাহিত্যের অনুরাগী। বাসায় নিয়মিত সাহিত্য আসর বসাতেন। সেই আসরের নাম ছিলো সাহিত্য বাসর। গল্প লেখার অভ্যাসও ছিল তাঁর। যদিও সেসব গল্প কোথাও ছাপা হয়নি। তবে গ্রন্থাকারে তা প্রকাশিত হয়েছিল। সন্তানদের মধ্যে যাতে সাহিত্য বোধ জেগে ওঠে, সে চেষ্টা করেছেন তাঁর বাবা। মাঝে মাঝে তিনি নির্দিষ্ট একটা বিষয় দিয়ে ছেলেমেয়েদের কবিতা লিখতে বলতেন, ঘোষণা করতেন যার কবিতা সবচেয়ে ভাল হবে তাকে দেওয়া হবে পুরস্কার।
হুমায়ূন আহমেদের বড় মামা শেখ ফজলুল করিম যিনি তাঁদের সাথেই থাকতেন এবং যিনি ছিলেন তাঁদের সার্বক্ষণিক সঙ্গী, তিনি কবিতা লিখতেন, লিখতেন নাটক এবং সেই নাটক তিনি তাঁর ভাগ্নে-ভাগ্নিদের দিয়ে বাসায় গোপনে গোপনে মঞ্চস্থও করাতেন। আর হুমায়ূন আহমেদের নিজের ছিল গল্প, উপন্যাসের প্রতি অসাধারণ টান।